শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নিউইয়র্কে `উই আর দ্যা পিপলস’ ও `পেট্রিয়টস অব বাংলাদেশ’ এর সমাবেশ: জাতিসংঘের অধীনে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তের দাবী

প্রকাশিত: ০৩:১৪, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |

নিউইয়র্কে “উই আর দ্যা পিপলস” এবং “পেট্রিয়টস অব বাংলাদেশ” এর যৌথ উদ্যোগে এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বাংলাদেশের উপর ভারতীয় আধিপত্য বন্ধ এবং ন্যায়বিচার ও শান্তির দাবীতে একযোগে সোচ্চার অবস্থান। উপস্থিত ছিলেন “উই আর দ্যা পিপলস” এর প্রধান সমন্বয়ক জ্যাকব মিল্টন ও নীরা এবং পেট্রিয়টস অব বাংলাদেশের সমন্বয় আব্দুল কাদের মোহাম্মদ আলিম, জাবেদ উদ্দিন, মো: আজমত উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, গাজী দীপন, জনপ্রিয় ব্লগার রুহুল খান, বুলবুল আহমেদ, কামরুল খান, দিনাজ চৌধুরী, পাটওয়ারী আহমেদ, তানভীর, হাসিব উদ্দিন, জুয়েল জাকির, আতিক হোসেন, মাহাসান চৌধুরী-সহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী, আমেরিকান মানবাধিকার আইনজীবী, নিউ ইয়র্ক বরো-এর আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, আর্মি ভেটেরানস (সাবেক সেনা সদস্য), কমিউনিটি নেতা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা ,আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। দক্ষিণ এশিয়ায় মানবাধিকার, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নিউ ইয়র্কে একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবেশে Jacob Milton দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের বিভিন্ন প্রতিবেদন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন কিংবা রাজনৈতিক অন্যায়ের যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। এমন ঘটনা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা শুধু একটি দেশের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক মানবাধিকারের প্রতি আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

সমাবেশে আব্দুল কাদের বলেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা শুধু একটি দেশের দায়িত্ব নয়; বরং এটি বৈশ্বিক মানবাধিকার রক্ষায় আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সত্য উদঘাটনে অবিলম্বে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত শুরু করতে হবে—ন্যায়বিচার বিলম্বিত মানেই ন্যায়বিচার অস্বীকার।” “ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে পারে না। প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে একটি স্বাধীন ও আন্তর্জাতিক মানের তদন্ত এখন সময়ের দাবি।“কোনো প্রভাব নয়, কোনো আপস নয়—শহীদ ওসমান হাদির হত্যার নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্ত চাই, এখনই চাই!”তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের নানা প্রতিবেদনের প্রতি গভীর উদ্বেগ জানান।

সমাবেশে উপস্থিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবীরা বলেন, শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডকে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে উল্লেখ করে বলেন যে, এ ঘটনায় সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা এবং সীমান্ত-পারাপারের সম্পৃক্ততা নিয়ে যে অভিযোগগুলো উঠে এসেছে, সেগুলোর একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তদন্ত অত্যন্ত জরুরি।“যদি কোনো হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র বা অন্য দেশের মাটিতে আশ্রয় নেওয়ার মতো বিষয়ের অভিযোগ উঠে থাকে, তবে তা আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় তদন্ত হওয়া উচিত। তারা জোর দিয়ে বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, বৈষম্য কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলার যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। এ ধরনের ঘটনা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; বরং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিস্থিতির প্রতিফলন।

সমাবেশে কমিউনিটি ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং মানবাধিকার কর্মীরা শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন যে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা ও সীমান্ত-পারাপারের সম্পৃক্ততার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা প্রয়োজন।

তারা বলেন, “যদি এই হত্যাকাণ্ডে বিদেশি সম্পৃক্ততার অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনায় নেওয়া এবং প্রয়োজনে একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে কোনো অভিযোগই উপেক্ষা করা চলবে না।”

মানবাধিকার কর্মীরা আরও প্রশ্ন তোলেন, “সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নিপীড়নের যেসব অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে, সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনা—যেখানেই ঘটুক—তা আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচারের আওতায় আনতে হবে।” শহীদ ওসমান হাদির হত্যার সত্য উদঘাটনে অবিলম্বে স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত শুরু করতে হবে। কোনো প্রভাব বা বিলম্ব নয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যার মধ্যে ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী, আমেরিকান মানবাধিকার আইনজীবী, নিউ ইয়র্ক বরো-এর আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, আর্মি ভেটেরানস (সাবেক সেনা সদস্য), কমিউনিটি নেতা এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত এবং মানবিক মূল্যবোধনির্ভর। তারা আন্তর্জাতিক সংস্থা, নীতিনির্ধারক এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা রাখে। “ন্যায়বিচারের কোনো সীমান্ত নেই। পৃথিবীর যেখানেই মৌলিক অধিকার হুমকির মুখে পড়ে, তা সমগ্র মানবতার জন্যই উদ্বেগের বিষয়,” – আয়োজকদের বক্তব্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor